একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরির পর গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ওয়েবসাইট ইনডেক্সিং। ভালো তথ্য প্রকাশ করলেও গুগল পেজ খুঁজে না পেলে সমস্যা হতে পারে।
সাধারণভাবে গুগল ওয়েবসাইটের পেজ খুঁজে দেখে। পরে পেজের বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে পেজটি অনুসন্ধান সূচিতে রাখা হতে পারে।
তবে ইনডেক্স হওয়া আর ভালো অবস্থানে থাকা এক বিষয় নয়। ইনডেক্সিং হলো গুগলের কাছে পেজ পৌঁছানোর একটি ধাপ। ভালো অবস্থানের জন্য আরও কিছু বিষয় ঠিক রাখতে হয়।
এই লেখায় ওয়েবসাইট ইনডেক্সিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন। একই সঙ্গে গুগলে ইনডেক্স করার নিয়মও জানতে পারবেন।
ওয়েবসাইট ইনডেক্সিং হলো গুগলের অনুসন্ধান সূচিতে ওয়েবসাইটের পেজ সংরক্ষণের প্রক্রিয়া।
বিষয়টি সহজভাবে বোঝা যাক। ধরুন, আপনি একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করলেন। সেখানে একটি নতুন লেখা প্রকাশ করলেন।
প্রথম ধাপে গুগল সেই পেজের ঠিকানা খুঁজে বের করতে পারে। পরবর্তী সময়ে পেজটির বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়।
লেখা, শিরোনাম এবং ছবি পর্যালোচনা করা হতে পারে। পেজের সংযোগগুলোও পরীক্ষা করা হতে পারে।
সবকিছু ঠিক থাকলে পেজটি ইনডেক্স হতে পারে। তখন সেটি অনুসন্ধানে দেখানোর সুযোগ পায়।
তবে কোনো পেজ খুঁজে পেলেই সেটি অবশ্যই ইনডেক্স হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। এজন্য ওয়েবসাইটের কারিগরি ব্যবস্থা ঠিক রাখা জরুরি।
ওয়েবসাইটকে সার্চে দেখানোর জন্য ইনডেক্সিং গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পেজ ইনডেক্স না হলে সেটি সাধারণ অনুসন্ধানে দেখা নাও যেতে পারে।
ধরুন, আপনি ওয়েব হোস্টিং নিয়ে একটি লেখা প্রকাশ করলেন। লেখাটি তথ্যবহুল হলেও গুগলে ইনডেক্স হলো না।
এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী সহজে লেখাটি খুঁজে পাবেন না। ফলে সার্চ থেকে দর্শক পাওয়ার সুযোগ কমে যেতে পারে।
ওয়েবসাইট তৈরি করেই তাই কাজ শেষ নয়। গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলো গুগল খুঁজে পাচ্ছে কি না, সেটিও দেখা দরকার।
প্রথমত, কারিগরি ব্যবস্থা সঠিক রাখতে হবে। এরপর, একটি সঠিক সাইটম্যাপ তৈরি করতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সংযোগ রাখাও ভালো। এতে ওয়েবসাইটের কাঠামো বোঝা সহজ হতে পারে।

ওয়েবসাইটের একটি পেজ ইনডেক্স হওয়ার আগে কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি সহজভাবে বোঝা যায়।
পেজ খুঁজে পাওয়া → পেজ পরিদর্শন → তথ্য বিশ্লেষণ → অনুসন্ধান সূচিতে রাখা
প্রতিটি ধাপের কাজ আলাদা। নিচে বিষয়গুলো সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
গুগল বিভিন্ন উপায়ে আপনার পেজের ঠিকানা খুঁজে পেতে পারে। সাইটম্যাপ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
ওয়েবসাইটের অন্য পেজের সংযোগও এখানে কাজে আসে। অন্য ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া সংযোগও সহায়ক হতে পারে।
উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, আপনি নতুন একটি লেখা প্রকাশ করলেন। অন্য একটি পেজ থেকে সেই লেখায় সংযোগ দিলেন।
সেই সংযোগ অনুসরণ করে নতুন পেজটি খুঁজে পাওয়া সম্ভব হতে পারে। এজন্য গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলোকে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত রাখা ভালো।
পেজের ঠিকানা খুঁজে পাওয়ার পর সেটি পরিদর্শন করা হতে পারে। এই সময় সার্ভারের অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।
আপনার সার্ভার থেকেই পেজের তথ্য নিতে হয়। সার্ভারে সমস্যা থাকলে এই প্রক্রিয়ায় বাধা তৈরি হতে পারে।
স্থিতিশীল সার্ভার থাকলে পেজে প্রবেশের সমস্যা কমে। তাই ভালো হোস্টিং নির্বাচন করাও গুরুত্বপূর্ণ।
পেজটি খুঁজে পাওয়ার পর বিভিন্ন তথ্য পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে মূল লেখাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
শিরোনাম এবং উপশিরোনামও বিবেচনায় আসতে পারে। ছবি এবং অভ্যন্তরীণ সংযোগও বিশ্লেষণ করা হতে পারে।
এসব তথ্যের মাধ্যমে পেজটির বিষয় বোঝার চেষ্টা করা হয়। ফলে তথ্য পরিষ্কারভাবে সাজানো প্রয়োজন।
তথ্য বিশ্লেষণের পর পেজটি অনুসন্ধান সূচিতে রাখা হতে পারে। তখন সেটি প্রাসঙ্গিক অনুসন্ধানে দেখানোর সুযোগ পায়।
তবে ইনডেক্স হওয়া মানেই প্রথম অবস্থানে আসা নয়। এই বিষয়টি বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার।
ইনডেক্সিং হলো পেজকে গুগলের অনুসন্ধান সূচিতে পৌঁছানোর ধাপ। অন্যদিকে র্যাঙ্কিং হলো অনুসন্ধানের ফলাফলে অবস্থান পাওয়ার বিষয়।
নতুন ওয়েবসাইট তৈরির পর কয়েকটি বিষয় ঠিকভাবে করা উচিত। এতে পেজ খুঁজে পাওয়া সহজ হতে পারে।
গুগল সার্চ কনসোল ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা। এটি অনুসন্ধান কার্যক্রম বুঝতে সাহায্য করে।
এখানে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন তথ্য দেখা যায়। ইনডেক্সিং সংক্রান্ত সমস্যাও শনাক্ত করা সম্ভব।
নির্দিষ্ট পেজের ঠিকানাও পরীক্ষা করা যায়। পেজটি ইনডেক্স হয়েছে কি না, সেটিও জানা যায়।
শুধু গুগল সার্চ কনসোলে ওয়েবসাইট যুক্ত করলেই সব পেজ ইনডেক্স হবে না। নিজস্ব প্রক্রিয়ায় গুগল পেজ পরীক্ষা করে।
সাইটম্যাপ হলো ওয়েবসাইটের গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলোর ঠিকানার তালিকা। এটি পেজ খুঁজে পেতে সহায়তা করতে পারে।
সাধারণত সাইটম্যাপের ঠিকানা এমন হতে পারে:
cyberdeveloperbd.com/sitemap.xml
তৈরি করা সাইটম্যাপ গুগল সার্চ কনসোলে জমা দেওয়া যায়। এতে ওয়েবসাইটের কাঠামো সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ হয়।
ওয়েবসাইটের একটি পেজ থেকে অন্য পেজে সংযোগ দেওয়া ভালো। তবে সংযোগটি অবশ্যই বিষয়ভিত্তিক হওয়া উচিত।
যেমন, ওয়েব হোস্টিং নিয়ে একটি লেখা প্রকাশ করেছেন। সেখানে সম্পর্কিত হোস্টিং পেজের সংযোগ দিতে পারেন।
ডোমেইন নিয়ে লেখার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। এতে পাঠকের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।
পেজগুলোর মধ্যে এমন সংযোগ থাকলে ওয়েবসাইটের কাঠামোও পরিষ্কার থাকে।
কোনো পেজে ইনডেক্স বন্ধ করার নির্দেশনা থাকলে সেটি ইনডেক্স নাও হতে পারে।
তাই গুরুত্বপূর্ণ পেজের সেটিংস পরীক্ষা করুন। বিশেষ করে নতুন ওয়েবসাইটে বিষয়টি দেখা জরুরি।
ভুল করে ইনডেক্স বন্ধ করা হয়েছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করে নিন।
ওয়েবসাইট ইনডেক্স হয়েছে কি না, তা সহজেই পরীক্ষা করা যায়। এজন্য গুগলে একটি বিশেষ অনুসন্ধান পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
গুগলে লিখুন:
এখানে cyberdeveloperbd.com -এর জায়গায় আপনার ওয়েবসাইটের নাম লিখতে হবে।
ইনডেক্স হওয়া পেজ থাকলে কিছু ফলাফল দেখা যেতে পারে। তবে এই পদ্ধতিকে সম্পূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে ধরা উচিত নয়।
নির্দিষ্ট পেজের অবস্থা জানতে গুগল সার্চ কনসোল ব্যবহার করুন। সেখানে পেজের ঠিকানা পরীক্ষা করা যায়।
ওয়েবসাইট ইনডেক্স করার জন্য আলাদা টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। গুগল সার্চ কনসোল ব্যবহার করেই প্রয়োজনীয় কাজ করা যায়।
ওয়েবসাইট যাচাই করে সাইটম্যাপ জমা দিতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলোর মধ্যেও সংযোগ রাখা উচিত।
কারিগরি সেটিংস সঠিক আছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করুন। এতে সাধারণ কিছু সমস্যা আগে থেকেই ধরা পড়তে পারে।
তবে বিনামূল্যে ইনডেক্স করার ব্যবস্থা থাকলেও গুগল সঙ্গে সঙ্গে পেজ ইনডেক্স করবে না।
নিজস্ব প্রক্রিয়ায় গুগল পেজ পরীক্ষা করে। এরপর সেটি অনুসন্ধান সূচিতে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তাই অজানা স্বয়ংক্রিয় সেবার ওপর নির্ভর না করাই ভালো। ওয়েবসাইটের মূল কাঠামো ঠিক রাখাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়েবসাইট ইনডেক্স না হওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। নিচে কয়েকটি সাধারণ কারণ দেওয়া হলো।
নতুন ওয়েবসাইট সম্পর্কে গুগলের জানতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। প্রকাশের পরপরই সব পেজ দেখা নাও যেতে পারে।
এটি সবসময় কোনো সমস্যা বোঝায় না। তবে কারিগরি বিষয়গুলো পরীক্ষা করা উচিত।
কোনো পেজে ভুলভাবে ইনডেক্স বন্ধ থাকলে সেটি অনুসন্ধান সূচিতে নাও থাকতে পারে।
তাই পেজের অনুসন্ধান সেটিংস পরীক্ষা করুন। গুরুত্বপূর্ণ পেজে এমন নির্দেশনা আছে কি না, তা দেখুন।
কোনো গুরুত্বপূর্ণ পেজের সঙ্গে অন্য পেজের সংযোগ না থাকলে সমস্যা হতে পারে।
এমন অবস্থায় পেজটি খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে। এজন্য গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলোকে অন্য পেজের সঙ্গে যুক্ত রাখুন।
সাইটম্যাপে ভুল ঠিকানা থাকলে সমস্যা তৈরি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ পেজ সেখানে না থাকলেও একই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই সাইটম্যাপ নিয়মিত পরীক্ষা করুন। প্রয়োজন হলে সেটি হালনাগাদ করুন।
সার্ভার নিয়মিত বন্ধ থাকলে পেজ পরিদর্শনে সমস্যা হতে পারে।
পেজ খুলতেও সমস্যা হলে একই ধরনের বাধা তৈরি হতে পারে। এজন্য স্থিতিশীল হোস্টিং ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।
একটি পেজে খুব কম তথ্য থাকলে সেটি ব্যবহারকারীর জন্য কম উপকারী হতে পারে।
শুধু পেজের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা না করে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করুন। পাঠকের সমস্যার কার্যকর সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করুন।
গুগলে ইনডেক্স হওয়ার নির্দিষ্ট সময় নেই। তবে কিছু ভালো অভ্যাস অনুসরণ করা যায়।
গুগল সার্চ কনসোলে ওয়েবসাইট যুক্ত করুন। সঠিক সাইটম্যাপও জমা দিন।
গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সংযোগ রাখুন। নতুন লেখাকে পুরোনো সম্পর্কিত লেখার সঙ্গে যুক্ত করুন।
পেজের শিরোনাম পরিষ্কার রাখুন। উপশিরোনামও বিষয়ভিত্তিক হওয়া উচিত।
লেখার তথ্য ব্যবহারকারীর প্রয়োজন পূরণ করছে কি না, সেটি দেখুন। অপ্রয়োজনীয় লেখা দিয়ে পেজ বড় করবেন না।
ওয়েবসাইটের সার্ভার সচল রাখাও জরুরি। গুরুত্বপূর্ণ পেজে ইনডেক্স বন্ধ আছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করুন।
নতুন তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করুন। পুরোনো তথ্য প্রয়োজন অনুযায়ী হালনাগাদ করুন।
হ্যাঁ, ডোমেইন ও হোস্টিং পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ডোমেইন হলো ওয়েবসাইটের অনলাইন ঠিকানা।
অন্যদিকে হোস্টিং সার্ভারে ওয়েবসাইটের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। গুগল পেজ দেখতে গেলে সার্ভার থেকে তথ্য নিতে হয়।
সার্ভার নিয়মিত সমস্যায় থাকলে পেজ পরিদর্শনে বাধা তৈরি হতে পারে। ফলে ওয়েবসাইটের স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
তাই ওয়েবসাইট তৈরির সময় শুধু নকশা নিয়ে ভাববেন না। নির্ভরযোগ্য ডোমেইন ও স্থিতিশীল হোস্টিংও নির্বাচন করুন।
ইনডেক্সিং এবং র্যাঙ্কিং এক বিষয় নয়। দুটি প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্যও আলাদা।
ইনডেক্সিং মানে গুগল আপনার পেজের তথ্য অনুসন্ধান সূচিতে রাখতে পারে।
অন্যদিকে র্যাঙ্কিং মানে অনুসন্ধানের ফলাফলে পেজটির অবস্থান।
ধরুন, আপনার একটি লেখা গুগলে ইনডেক্স হয়েছে। কিন্তু সেটি প্রথম ফলাফল হিসেবে দেখা যাচ্ছে না।
এর অর্থ পেজটি ইনডেক্স হয়েছে। তবে ভালো অবস্থান এখনো পাওয়া যায়নি।
তাই ইনডেক্সিংকে শুরু হিসেবে ভাবতে পারেন। এরপর ভালো অবস্থানের জন্য আরও কাজ করতে হবে।
এর কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। নতুন ওয়েবসাইট সম্পর্কে গুগলের জানতে সময় লাগতে পারে।
নতুন পেজের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। তাই কিছুটা সময় লাগা স্বাভাবিক।
এই সময়ের মধ্যে কারিগরি ব্যবস্থা পরীক্ষা করুন। সাইটম্যাপ সঠিক আছে কি না, সেটিও দেখুন।
গুগলে site:আপনার-ওয়েবসাইটের-নাম লিখে অনুসন্ধান করতে পারেন।
এতে ইনডেক্স হওয়া কিছু পেজ দেখা যেতে পারে। নির্দিষ্ট পেজের জন্য গুগল সার্চ কনসোল ব্যবহার করুন।
গুগল সার্চ কনসোল ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে ইনডেক্সিং সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।
কোনো পেজে সমস্যা থাকলেও সেটি শনাক্ত করা যায়। তাই ওয়েবসাইট পরিচালনায় এটি বেশ উপকারী।
না, সাইটম্যাপ জমা দিলেই প্রতিটি পেজ ইনডেক্স হবে না।
সাইটম্যাপ গুগলকে পেজের ঠিকানা খুঁজে পেতে সাহায্য করে। এরপর গুগল নিজস্ব প্রক্রিয়ায় পেজ পরীক্ষা করে।
না। ইনডেক্সিং এবং র্যাঙ্কিং আলাদা বিষয়।
ইনডেক্স হওয়ার পর ভালো অবস্থানের জন্য মানসম্মত তথ্য প্রয়োজন। পাশাপাশি ওয়েবসাইটের কাঠামোও ঠিক রাখতে হবে।
প্রথমে গুগল সার্চ কনসোলে পেজটির ঠিকানা পরীক্ষা করুন। এরপর ইনডেক্স বন্ধের কোনো নির্দেশনা আছে কি না দেখুন।
সাইটম্যাপেও পেজটি রয়েছে কি না পরীক্ষা করুন। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সংযোগ এবং সার্ভারের অবস্থাও দেখুন।
ওয়েবসাইট ইনডেক্সিং হলো গুগল অনুসন্ধানে পেজ পৌঁছানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করেই কাজ শেষ নয়। গুগল যেন আপনার পেজ খুঁজে পায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
গুগল সার্চ কনসোলে ওয়েবসাইট যুক্ত করুন। সঠিক সাইটম্যাপ তৈরি করে জমা দিন।
গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সংযোগ রাখুন। ভুল করে ইনডেক্স বন্ধ করা হয়েছে কি না, সেটিও দেখুন।
পাশাপাশি স্থিতিশীল হোস্টিং ব্যবহার করুন। ওয়েবসাইটের সার্ভার সচল রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইনডেক্স হওয়াই শেষ লক্ষ্য নয়। এরপর ভালো অনুসন্ধান অবস্থানের জন্য নিয়মিত কাজ করতে হবে।
মানসম্মত তথ্য প্রকাশ করুন। ওয়েবসাইটের কাঠামো ঠিক রাখুন। পুরোনো তথ্যও প্রয়োজন অনুযায়ী হালনাগাদ করুন।
এভাবেই ধীরে ধীরে ওয়েবসাইটের অনুসন্ধান উপস্থিতি উন্নত করার সুযোগ তৈরি হবে।